Child Abuse: সাংঘাতিক ! ১৩ বছরের মেয়েকেই রাখা হয়েছিল পরিচারিকা হিসেবে, লুকিয়ে রাখা হয় বক্স খাটে

<p>Child Abuse: অসমের গুয়াহাটিতে ঘটেছে এক ভয়ঙ্কর ঘটনা। ১৩ বছরের এক কিশোরীর উপর ঘটেছে সাংঘাতিক অত্যাচার। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, খাটের নীচে বাক্সের মধ্যে ওই কিশোরীকে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ওই কিশোরীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। জানা গিয়েছে, যে বাড়িতে এই ঘটনা ঘটেছে, সেখানে পরিচারিকার কাজ করত ওই কিশোরী। নাবালিকাকে পরিচারিকা হিসেবে রাখা ভারতে বেআইনি। কিন্তু গুয়াহাটির এই বাড়িতে তাই-ই করা হয়েছিল।&nbsp;</p> <p>বাচ্চা মেয়েটিকে উদ্ধার করার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ঘটনা জানার পর স্বভাবতই ক্ষুব্ধ নেটিজেনরা। জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় ওই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে। District Labour Task Force উদ্ধারকাজ সম্পন্ন করেছে ম্যাজিস্ট্রেট অর্থাৎ জেলাশাসকের উপস্থিতিতে। স্থানীয় বাসিন্দারাই মূলত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। পুলিশ সূত্রে খবর, বাচ্চা মেয়েটিকে খাটের নীচের বাক্সে আটকে রাখার পর, সেই খাটের উপরেই দিব্যি শুয়ে ঘুমিয়েছিলেন বাড়ির লোকেরা।&nbsp;</p> <p>মাত্র ১৩ বছর বয়স মেয়েটির। বিগত ৬ বছর ধরে গুয়াহাটির ওই বাড়িতে কাজ করছিল সে। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, আরও অনেক অল্প বয়স থেকেই এই বাড়িতে কাজ করছিল বাচ্চা মেয়েটিকে। অভিযোগ উঠেছে, বাড়ির লোকেরা বাচ্চা মেয়েটির উপর শারীরিক নির্যাত করত। এই খবর আগেই পেয়েছিলেন District Labour Task Force- এর আধিকারিকরা। সেই সূত্র ধরেই ওই বাড়িতে হানা দেয় একটি দল। তারা হানা দিতে আসছে এই খবর কোনওভাবে পেয়ে গিয়েছিল ওই বাড়ির লোকেরা। তার জেরেই বাচ্চাটিকে খাটের নীচে অন্যান্য জিনিস রাখার বাক্সে (অনুমান বক্স খাটের বাক্সে) বাচ্চা মেয়েটিকে লুকিয়ে ফেলে। আধিকারিকদের অভিযোগ, তাঁরা পৌঁছনোর প্রায় ২৫ মিনিট আগে থেকে কিশোরীকে ওখানে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।</p> <p>District Labour Task Force- এর এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ওই বাড়িতে বেআইনি ভাবে যে এক নাবালিকাকে পরিচারিকা হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছিল, সেই খবর পেয়েছিলেন তাঁরা। এরপরই ওই বাড়িতে হানা দেয় District Labour Task Force- এর একটি দল। জানা গিয়েছে, বাড়ির মালকিনের নাম এরিনা লস্কর খাতুন। অভিযোগ, প্রথমে তিনি একেবারে অস্বীকার করেন বাচ্চা মেয়েটির কথা। বাড়ির মালকিন বলেন, মেয়েটিকে তার বাবা ৩-৪ দিন আগেই নিয়ে গেছেন। কিন্তু বাড়ির মালকিনের কথা বিশ্বাস হয়নি District Labour Task Force- এর দলের।&nbsp;</p> <p>এরপর বাড়িতে তল্লাশি করতে চাইলে, প্রথমে তাদের বাধা দেওয়া হয়। বলা হয়, বাচ্চাটি ঘুমাচ্ছে। অনেকবার বলার পর, ঘরে তল্লাশির অনুমতি দেয় পরিবারের লোকজন। আর সেই সময়েই আধিকারিকরা আবিষ্কার করেন, বিছানার নীচে রয়েছে একটি লুকানো বাক্স। সেখান থেকেই উদ্ধার করা হয় কিশোরীকে। অতক্ষণ ওইটুকু ছোট জায়গায় বাচ্চাটিকে লুকিয়ে রাখার ফলে ভীষণ ভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিল সে। অত্যধিক দুর্বল অবস্থাতেই তাকে উদ্ধার করা হয়। তারপরই জল খেতে দেওয়া হয় কিশোরীকে। জ্ঞান ফিরতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে সে। আধিকারিকদের সে জানায়, দীর্ঘ ৬ বছর ধরে এই বাড়িতে কাজ করছিল সে। নিয়মিত শারীরিক অত্যাচার করা হত তার উপর। বাচ্চাটিকে উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে এই ঘটনার। আগামী দিনে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে অভিযুক্তদের জন্য।&nbsp;</p>

from india https://ift.tt/qTEIA1c

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি